১৫ আগস্ট সম্পর্কে রচনা | জাতীয় শোক দিবস রচনা
১৫ আগস্ট সম্পর্কে রচনা | জাতীয় শোক দিবস রচনা

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পরিচিত

১৯৭৫ সাল থেকে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস হিসাবে পালিত হয়। এই জাতীয় শোক দিবস বাংলাদেশ একটি জাতীয় দিবস হিসেবে পালিত হয়। বাংলাদেশে প্রতিবছর ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ও রাষ্ট্রীয়ভাবে এই দিবসটি পালন করা হয়ে থাকে। এবার ১৫ আগস্ট ৪৭তম শোক দিবস হিসেবে পালন হচ্ছে।

১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস

১৫ আগস্ট এর এই দিনে সবাই কালো পতাকার ব্যাচ ইউজ করে। এই দিবসে কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়ে থাকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে। ১৫ ই আগস্ট এ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বাঙালি জাতির জন্য একটি কালো রাত। এই কাল রাতে বাংলাদেশ ও স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কে সপরিবারে হত্যা করা হয়ে থাকে। এরপর থেকে বাংলাদেশে প্রতিবছর 15 আগস্ট মৃতদের মাগফেরাত কামনা করা এবং স্মরণের উদ্দেশ্যে জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালিত হয়ে থাকে।

২০২৩ সালের ১৫ই আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার ৪৭ তম শোক দিবস পালন হচ্ছে। এই শোক দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয়।

১৫ আগস্ট এর সকালে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে জাতীয় পতাকা অর্থনীত করণ করা হয়। প্রতিবছরের ১৫ আগস্ট এর এই দিনে কালো পতাকা উত্তোলন, কালো ব্যাস ধারণ, শ্রদ্ধা নিবেদন, বঙ্গবন্ধুর জীবন এবং কর্মের উপর আলোকচিত্র প্রদর্শনী, বৃক্ষরোপণ, স্বেচ্ছায় রক্তদান এবং মুক্তিযুদ্ধের ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়ে থাকে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রোফেসর ডক্টর মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন মিয়া শোক রেলিতে নেতৃত্ব দিয়ে থাকেন। তিনি বঙ্গবন্ধুর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং তার রুহের মাগফেরাত কামনা করে থাকেন। তিনি আরো বলেন বঙ্গবন্ধু শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা ছিলেন না। তিনি মানুষ হিসেবে ছিলেন ও সকল গুণের অধিকারী। একটা জাতির মুক্তি ও একটি স্বাধীন এবং সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধু আজীবন সংগ্রাম করেছেন। কিন্তু এদেশের কতি প্রতিক্রিয়াশীল ষড়যন্ত্রকারী ও আন্তর্জাতিক চক্রান্তে বিপথগামী ঘাতকের বুলেটের আঘাতে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যসহ নির্মমভাবে নিহত হন ১৯৭৫ সালে ১৫ আগস্ট কাল রাতে।

১৫ আগস্ট এর ইতিহাস

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কাল রাতে বঙ্গবন্ধু সহ ধানমন্ডির 32 নম্বর হাউজে ছিলেন। সেই কাল রাতে একদল ষড়যন্ত্রকারী এসে তাদের সপরিবারেও হত্যা করে। সেই রাতে বঙ্গবন্ধু ছাড়াও নিহত হন স্ত্রী ফজিলাতুন্নেছা মুজিব। এছাড়া সেই রাতে পরিবারের সকলকেই করা হয়। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট প্রায় ১৯ জনকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

১৫ আগস্টে মৃত্যুবরণকারীদের নাম হচ্ছে ছেলে শেখ কামাল, শেখ জামাল, শিশু পুত্র শেখ রাসেল, পুত্রবধূ সুলতানা কামাল, রোজি কামাল, ভাই শেখ আবু নাসের, ভগ্নিপতি আব্দুর রব সেরনিয়াবাত, ভাগ্নে শেখ ফজলুল হক মনি ও তার অন্তসতাই স্ত্রী বেগম আরজুমনি। ১৫ আগস্ট এর সেই রাতে প্রথম জীবন বাঁচাতে ছুটে আসেন কর্নেল জামিল উদ্দিন। সর্বশেষ কর্নেল জামিল উদ্দিন কেউ হত্যা করা হয়। তবে সবচেয়ে ভাগ্যবান হচ্ছে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ রেহানা ও শেখ হাসিনা দেশে ছিলেন না।

উপরোক্ত কারণে প্রতিবছর ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ও শ্রদ্ধা স্মরণ করে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সকল সদস্যের পালিত হয় জাতীয় শোক দিবস।

১৫ আগস্ট সম্পর্কে বক্তৃতা নমুনা দেখে নিন

এ লাশ আমরা রাখবো কোথায় ?
তেমন যোগ্য সমাধি কই ?
মৃত্তিকা বলো, পর্বত বলো
অথবা সুনীল-সাগর-জল-
সব কিছু ছেঁদো, তুচ্ছ শুধুই !
তাইতো রাখি না এ লাশ
আজ মাটিতে পাহাড়ে কিম্বা সাগরে,
হৃদয়ে হৃদয়ে দিয়েছি ঠাঁই।


১৫ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস পালন উপলক্ষ্যে অমুক সংস্থা কর্তৃক আয়োজিত (এখানে সংস্থার নাম হবে) সভার শ্রদ্ধাভাজন সভাপতি (এখানে ওনার নাম ও পদবী হবে মান্যবর প্রধান অতিথি (এখানে ওনার নাম ও পদবী হবে) বিশেষ অতিথি থাকিলে (এখানে ওনার নাম ও পদবী হবে) ও উপস্থিত সুধী, আসসালামু আলাইকুম বা যার যে ধর্মে এই মিনিং তা বলতে পারেন। তারপর বলতে পারেন…

কেঁদেছিল আকাশ, ফুঁপিয়ে ছিল বাতাস। বৃষ্টিতে নয়,ঝড়ে নয় এ অনুভূতি ছিল পিতা হারানো শোকের। প্রকৃতি কেঁদেছিল কারণ মানুষ কাঁদতে পারে নি। ঘাতকের উদ্ধত রক্তচক্ষু তাদের কাঁদতে দেয়নি। তবে ভয়াতর বাংলার প্রতিটি ঘর থেকে এসেছিল চাপা দীর্ঘশ্বাস। কি নিষ্ঠুর, কি ভয়াল, কি ভয়ঙ্কর সেই রাত। আজ রক্তঝরা, অশ্রুভেজা ১৫ই আগস্ট, জাতীয় শোক দিবস। বাঙালি জাতির শোকের দিন। ১৯৭৫ সালের এই দিনে ভোরের আলো ফোঁটার আগেই স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে কিছু বিপথগামী সেনা।

বিশ্ব রাজনীতির ইতিহাসে জুড়ে দেয় কৃষ্ণ দাগ। মানচিত্রের কাঁধে চাপিয়ে দেয় ইতিহাসের সবচেয়ে ভারী লাশের বোঝা । দেশি-বিদেশি চক্রান্তকারী তথা একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তির এদেশীয় দোসরদের চরম বিশ্বাস ঘাতকতার কাছে জাতির জনকের বিশ্বাসের দৃঢ় প্রত্যয় ভেঙ্গে পড়েছিল ১৫ আগস্টের কালো রাতে। বঙ্গবন্ধু ও তার স্বজনদের রক্তে সেদিন প্লাবিত হয়, ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কের সেই ঐতিহাসিক বাড়িটি। অস্তমিত হয়েছিল জাতীয় গৌরবের প্রতীক, সূর্যের মতো অনন্য এক অধ্যায়।

১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট সুবহে সাদিকের সময় পবিত্র আজানের ধ্বনিকে বিদীর্ণ করে ঘাতকের মেশিনগানের ঝাঁক ঝাঁক গুলি। ফোয়ারার মতো ছড়িয়ে পড়ল সে গুলি। ঝাঁজরা হয়ে ওঠে স্বাধীন বাংলার বুক। শহীদ হন স্বাধীন বাংলার স্বপ্নদ্রষ্টা, বাংলার মহানায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বাড়ির সিঁড়িতে অযত্ন অবহেলায় পড়ে ছিল জাতির জনকের মৃতদেহ। এদিক ওদিক ছড়ানো-ছিটানো ছিল বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিনী শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব, জ্যেষ্ঠপুত্র শেখ কামাল, তার স্ত্রী সুলতানা কামাল, অপর পুত্র শেখ জামাল ও তার স্ত্রী রোজি জামাল, কনিষ্ঠপুত্র রাসেলের লাশ।

১৫ আগস্টের নির্মম সেই হত্যাযজ্ঞে আরও নিহত হন বঙ্গবন্ধুর ছোট ভাই পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধা শেখ আবু নাসের, ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত, তার ছেলে আরিফ সেরনিয়াবাত, মেয়ে বেবী সেরনিয়াবাত, শিশু পৌত্র সুকান্ত বাবু, বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে শেখ ফজলুল হক মণি, তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মণি, নিকটাত্মীয় শহীদ সেরনিয়াবাত, আবদুল নঈম খান রিন্টু এবং বঙ্গবন্ধুর জীবন বাঁচাতে ছুটে আসা রাষ্ট্রপতির ব্যক্তিগত নিরাপত্তা কর্মকর্তা কর্নেল জামিল উদ্দিন আহমেদসহ কয়েকজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা ও কর্মচারী। ওই সময় দেশে না থাকায় প্রাণে বেঁচে যান বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ কন্যা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার ছোট বোন শেখ রেহানা।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালির স্বাধীনতা ও মুক্তির প্রতীক। বিশ্ব ও মানবসভ্যতার ইতিহাসে ঘৃণ্য ও নৃশংসতম এই হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে সেদিন তারা কেবল বঙ্গবন্ধুকেই নয়, তার সঙ্গে বাঙালির হাজার বছরের প্রত্যাশার অর্জন স্বাধীনতার আদর্শগুলোকেও হত্যা করতে চেয়েছিল। মুছে ফেলতে অপপ্রয়াস চালিয়েছিল বাঙালির বীরত্বগাথার ইতিহাসও। কিন্তু ঘাতকদের সে স্বপ্ন সফল হয়নি।

বঙ্গবন্ধু শারীরিকভাবে আজ না থাকলেও মানুষের হৃদয়জুড়ে তাঁর অবস্থান। তাঁর হত্যার বিচার সম্পন্ন হয়েছে। ঘাতকদের দন্ডাদেশ কার্যকর হয়েছে। তবে এখনও কয়েকজন ঘাতক পালিয়ে রয়েছে নানা দেশে। তাদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে দন্ডাদেশ কার্যকরের ব্যবস্থা নিতে হবে, এটা সবার দাবি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস যথাযথ মর্যাদায় ও ভাব-গম্ভীর পরিবেশে জাতি পালন করছে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হয়ে নতুন করে শপথ নিতে হবে।

নূতন প্রত্যয়ে বলীয়ান হয়ে শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করে বাংলার দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে এবং বঙ্গবন্ধুর কাঙ্ক্ষিত অর্থনৈতিক মুক্তি এনে দিতে পারলেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর বিদেহী আত্মা শান্তি পাবে। মাত্র ৫৫ বছরের জীবনে স্বদেশের মাটি আর মানুষকে এমন ভালবাসার বন্ধনে বেঁধেছিলেন যে বন্ধন কোনোদিন ছিন্ন হওয়ার নয়। তাই আজো মানুষ গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করে বঙ্গবন্ধুকে। বেগম সুফিয়া কামাল বলেছিলেন,

“এই বাংলার আকাশ,বাতাস,সাগর,গিরি ও নদী
ডাকিছে তোমারে বঙ্গবন্ধু,ফিরিয়া আসিতে
যদি হেরিতে এখনও মানব হৃদয়ে তোমার আসন পাতা,
এখন ও মানুষ স্মরিছে তোমারে মাতা-পিতা,বোন-ভ্রাতা।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সম্পর্কে কিছু জানা অজানা তথ্য

১। ১৫ আগস্ট মোট কতজন শহীদ হন?

উত্তরঃ ১৫ আগস্টে মৃত্যুবরণকারীদের নাম হচ্ছে ছেলে শেখ কামাল, শেখ জামাল, শিশু পুত্র শেখ রাসেল, পুত্রবধূ সুলতানা কামাল, রোজি কামাল, ভাই শেখ আবু নাসের, ভগ্নিপতি আব্দুর রব সেরনিয়াবাত, ভাগ্নে শেখ ফজলুল হক মনি ও তার অন্তসতাই স্ত্রী বেগম আরজুমনি সহ মোট ২৬ জনকে ১৫ আগস্ট শহীদ হন।

২। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট মোট কতজনকে হত্যা করা হয়?
উত্তরঃ ১৫ আগস্ট এর সেই কাল রাতে মোট ২৬ জনকে হত্যা করা হয়ে থাকে।

৩। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট নিহতদের নামের তালিকা?
উত্তরঃ সেই রাতে তিনটি বাড়িতে গিয়ে সকল মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়ে থাকে। এমনি 15 আগস্ট নিহতদের নামের তালিকা দেওয়া হল।

ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বঙ্গবন্ধুর বাড়ি থেকে যারা হত্যা হয়েছিল তারা হলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, শেখ আবুন নাসের, শেখ কামাল, সুলতানা কামাল খুকি, শেখ জামাল, শেখ রাসেল সহ পারভীন জামাল রোজি সকলকে নির্মমভাবে হত্যা করে।

শেখ মনির বাড়ি থেকে যারা শহীদ হয়েছেন। তারা হলেন শেখ ফজলুল হক মনি এবং বেগম আরজু মনি।

সেরনিয়াবাতের বাড়ি থেকে যারা শহীদ হয়েছেন। সেরনিয়াবাতের বাড়ি থেকে সাতজন শহীদ হয়েছেন।

সেখানে আবদুর রব সেরনিয়াবাত , আরিফ সেরনিয়াবাত , বেবী সেরনিয়াবাত , শহীদ সেরনিয়াবাত , সুকান্ত আবদুল্লাহ বাবু , আব্দুল নঈম খান রিন্টু , পোটকা ( গৃহকর্মী ) , লক্ষীর মা ( গৃহকর্মী ) কে হত্যা করা হয়।

অন্যান্য : কর্নেল জামিল উদ্দিন আহমেদ ( বঙ্গবন্ধুর প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা ) , সিদ্দিকুর রহমান ( পুলিশ কর্মকর্তা ) , সামছুল হক ( পুলিশ কর্মকর্তা ) সহ মোট ১৫ আগস্ট এ ২৬ জন শহীদ হয়েছেন।

১৫ আগস্ট ব্যানার ডিজাইন ২০২৩

উপরে আমরা ১৫ আগস্ট সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। এখন আমরা ১৯৭৫ সালের 15 আগস্ট ব্যানার ডিজাইন করে দিব। আশা করি আজকের ব্যানার গুলো আপনাদের ভালো লাগবে। তো চলুন তাহলে ১৫ আগস্টের ব্যানারগুলো দেখে নেই।

১৫ আগস্ট ব্যানার ডিজাইন ২০২৩
১৫ আগস্ট ব্যানার ডিজাইন ২০২৩

আরও পড়ুন

১৫ই আগস্ট শোক দিবসের বক্তব্য বা ভাষণ ২০২৩

১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস সম্পর্কে অনুচ্ছেদ রচনা

১৫ আগস্ট সম্পর্কে কবিতা

১৫ আগস্ট সম্পর্কে রচনা | জাতীয় শোক দিবস রচনা

১৫ আগস্ট সম্পর্কে বক্তৃতা দেখে নিন

জাতীয় শোক দিবস রচনা PDF

Check Also

১৫ আগস্ট সম্পর্কে রচনা | জাতীয় শোক দিবস রচনা

১৫ আগস্ট সম্পর্কে বক্তৃতা দেখে নিন

১৫ আগস্ট সম্পর্কে বক্তৃতা অথবা ১৫ই আগস্ট সম্পর্কে জানতে চান? যদি তাই হয় তাহলে আপনি …

 মেট্রোরেল সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান প্রশ্ন ও উত্তর ২০২৩

 মেট্রোরেল সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান প্রশ্ন ও উত্তর ২০২৩

মেট্রোরেল সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান পড়তে আসে সম্মানিত পাঠিকা বৃন্দ আশা করি আল্লাহর রহমতে ভালই আছেন। …

পদ্মা সেতু সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান

পদ্মা সেতু সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান A to Z

সাধারণ জ্ঞান বিষয়ে জানতে আসা সম্মানিত পাঠক পাটিকে বৃন্দ আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজকে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *